How to success in stock market|শেয়ার বাজারে কীভাবে নিজেকে একজন সফল investor বানাবেন।

শেয়ার বাজার এমন একটি সাবজেক্ট যেটার গভীরতা সমুদ্রের চেয়েও বেশি। সমুদ্রের জলকে যেমন পরিমাপ করার করার অসম্ভব, ঠিক তেমনি এই শেয়ার বাজারকে বুঝে ওঠা অসম্ভব। প্রাচীন কালে ধারণা অনুযায়ী সমুদ্র মন্থন করে যেমন অমৃত পাওয়া যায়, ঠিক একই ভাবে যারা শেয়ার বাজারের (stock market) উপর মন্থন ( রিসার্চ) করে তারও অনেক টাকা উপার্জন করে। এমন হয়েছে অনেকে অসুরের মতো শেয়ার বাজারে ডুবে গিয়েছে। তাই যে কোনো ক্ষেত্রে success পেতে হলে সেই বিষয়ের উপর মন্থন (রিসার্চ) করে ভালো ভাবে মনোযোগ সহকারে কাজ করতে হবে। বহু লোক শেয়ার বাজারকে কাজে লাগিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করছে আবার অনেকে লক্ষ লক্ষ টাকা ডুবিয়ে দিচ্ছে। শেয়ার বাজার থেকে ইনকাম করার জন্য বহু লোক এই প্ল্যাটফরমে পদার্পন করে কিন্তু ১০% মানুষ এখন থেকে success করতে পারে আর ৯০% মানুষ ব্যার্থ (Fail) হয়ে ফিরে যায়। কোন কোন স্টেপ রয়েছে যেগুলি আপনি যদি follow করেন তাহলে আপনিও একজন Success stock market ইনভেস্ট হবেন। সেই জন্য আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমার আলোচনা করবো- কীভাবে শেয়ার বাজার থেকে সফলতা অর্জন করতে হয় (how to success in stock market). আপনি যদি একজন সফল investor হতে চান তাহলে অবশ্যই এই আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়তে থাকুন তাহলে আপনিও একজন success investor হওয়ার পথে এগিয়ে যাবেন।

শেয়ার বাজার এমন একটি প্লার্টফর্ম যেখানে সফলতা পেতে হলো ধৈর্য (Patience) অবশ্যই রাখতে হবে। কথায় আছে না “সবুরে মেওয়া ফলে”, যদি আপনার মধ্যে ধৈর্য থাকে তাহলে আপনি সফলতা অবশ্যই পাবেন। শেয়ার বাজারের গ্রাফ সব সময় Up-Down হতে থেকে। গ্রাফ down এ চলছে বলে ভয় করলে হবে না, ধৈর্য রাখতে হবে কোনো এক সময় গ্রাফ উপরে যাবে।

শেয়ার বাজার থেকে success হতে হলে এমন কিছু বিষয় আছে যেগুলি সমন্ধে আপনার অবশ্যই জানা দরকার। যারা stock market থেকে sucess পাচ্ছে তারা এই বিষয় গুলিকে সব সময় follow করেছে সেই কারণে এখন তারা Success investor. আপনিও যদিও এই বিষয় গুলি follow করেন তাহলে আপনিও Stock market থেকে উন্নতি (grow) করবেন।

Company business model

যখন শেয়ার (stock) কেনার (Buy) আগে মুহূর্তে ওই কোম্পনির উপর সম্পর্ণ রিসার্চ করে নিবেন যে কোম্পানি কোন ধরণের প্রোডাক্ট/সার্ভিস দিচ্ছে, ওই প্রোডাক্ট/সার্ভিসের বাজারে কীরকম চাহিদা রয়েছে, কোম্পনি বছরে কত টাকা ইনকাম করছে, কোম্পানির কোনো ধার-দেন আছে কিনা, কোম্পানির উপরে কোনো রকম মামলা আছে কিনা, এস্সেটস কত রয়েছে ইত্যাদি। সব কিছু যদি ঠিকঠাক থাকে তাহলে শেয়ার কিনবেন।

Stock quality

প্রথমে প্রথম যারা শেয়ার বাজারে নিবেশ করে তারা সব সময় কম দামের শেয়ারের উপর ফোকাস রাখে। কারণ অল্প দামে বেশি শেয়ার পাওয়া যাচ্ছ সেই জন্য। কিন্তু এটি একটি খারাপ লক্ষণ। সব সময় কোম্পনির উপর ভরসা রাখবেন, শেয়ারের উপর নয়। কোম্পানি যদি ভালো পারফর্ম করে তাহলে stock price high হবে। হ্যাঁ নতুন স্টার্টআপ কোম্পানির ক্ষেত্রে রিসার্চ করে শেয়ার কিনতে পারেন কিন্তু সব সময় ডাউন থাকা কোম্পানির শেয়ার কিনবেন না।

Long term investment

কথায় আছে “সবুর কা ফল মিঠা হোতা হে” আপনি যদি শেয়ার বাজার থেকে success পেতে চান তাহলে আপনাকে দীর্ঘ সময়ের জন্য ইনভেস্ট করতে হবে। আপনি বহু কোম্পানির stock চ্যাট খুলে দেখবেন যে প্রথম দিকে ওই কোম্পানির শেয়ার price খুবই কম ছিল কিন্তু এখন তার দাম বহু গুন বৃদ্ধি পেয়েছে। আপনি আজ যদি কোনো ভালো কোম্পানি তে ইনভেস্ট করেন তাহলে দুই বছর পরে শেয়ার প্রাইস অনেক বৃদ্ধি পাবে। প্রতিদিন যতই শেয়ার বাজার উথাল পাথাল হোক না কেন long tearm এর ক্ষেত্রে আপনার শেয়ার price বৃদ্ধি পাবেই।

Diversification*

শেয়ার বাজারে Diversification এর ভূমিকা কোনো তুলনা করা যায় না। প্রত্যেক শেয়ার ইনভেস্টরের diversifi অবশ্যই ব্যবহার করা উচিৎ। স্টক মার্কেটের ক্ষেত্রে diversification কথার অর্থ হলো ভাগ করা। একটি উদহারনের মাধ্যমে বোঝাচ্ছি – ধরুন একটি ঝুড়িতে অনেক গুলি ডিম রয়েছে এবং কোনো কারণে যদি ঝুড়িটি যদি পরে যায় তাহলে সব ডিম ভেঙে যাবে কিন্তু যদি ডিম গুলিকে আলাদা আলাদা ঝুড়িতে রাখা হয় তাহলে এক সঙ্গে সব ডিম তো ভেঙে যাবে না। এই ঝুড়ি আলাদা করার কনসেপ্টকে Diversification বলে। ঠিক একই ভাবে আপনি যদি একটি কোম্পানির উপর ইনভেস্ট করেন এবং দুর্ভাগ্য (unfortunately) বসত যদি কোম্পানি ক্ষতিগ্রস্থ হয় তাহলে আপনার সমস্ত অর্থ ডুবে যাবে। আপনি যদি diversification এর মাধ্যমে ওই টাকা যদি আরো কোম্পানিতে ইনভেস্ট করে তাহলে কোনো না কোনো কোম্পনির ক্ষতি অন্য কোম্পানি পূরণ করে দিবে।

Learning

কথায় আছে “লার্নিং তার পরে আর্নিং” যত শিখবেন ততো ইনকাম করবেন। তাই শেয়ার বাজার থেকে ইনকাম করার জন্য আপনাকে কোম্পানি সমন্ধে আরও শিখতে হবে। মনে রাখবেন- যখন থেকে শেখ বন্ধ করে দিবেন তখন থেকে আপনার ইনকাম কমতে শুরু করে দিবে। এই কারণে বিশ্বের প্রতিটি success ব্যাক্তি প্রতিদিন বই পড়ে।

Paticence

ধৈর্য (patience) এমন একটি জিনিস যেটার মাধ্যমে যেকোনো বিষয়ের যেকোনো ব্যাক্তি success হতে পারে। শেয়ার বাজারের ক্ষেত্রে ৯০ মানুষ পোর্টফোলিও ডাউন হতে থাকলে ধৈর্য হারিয়ে ফেলে আর নিজের পোর্টফোলিও খালি করে দেয় আর এক-দুই বছর পরে পস্তায়, কারণ তখন কার তুলনায় শেয়ার price বহু গুন বেড়ে গেছে।

Self dipendent

শেয়ার কেনা বেচার ক্ষেত্রে নিজে সিদ্ধান্ত নিতে শিখতে হবে। কত দিন অন্যের উপর নির্ভর করে ইনভেস্ট করবেন। ভুল হলে ভুলটাকে শুধরে আবার নতুন করে শুরু করবেন।

Reinvest

শেয়ার বাজার থেকে যে প্রফিট ইনকাম করবেন সেই টাকাকে খরচ করবেন না ওই টাকাকে পুনরায় আবার ইনভেস্ট করবেন তবেই আপনি একদিন success ইনভেস্ট হবে।

আমার শেষ কথা:

আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা আলোচনা করলাম যে একজন সফল ইনভেস্টর হওয়ার জন্য কোন কোন বিষয় গুলি follow করা উচিৎ। যদি এই আর্টিকেলটি যদি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই আপনার শেয়ার বাজারে সঙ্গে যুক্ত থাকা বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করবেন। এই বিষয়ের উপর যদি কোনো রকম সমস্যা থাকে থাকে তাহলে কমেন্ট করে জানাবেন। আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পাড়ার জন্য ধন্যবাদ।

5 thoughts on “How to success in stock market|শেয়ার বাজারে কীভাবে নিজেকে একজন সফল investor বানাবেন।”

Leave a Comment